Home » entertainment » স্তনের প্রতি কেনো এত আগ্রহ পুরুষদের জানেন? জানলে আপনিও চমকে উঠবেন

স্তনের প্রতি কেনো এত আগ্রহ পুরুষদের জানেন? জানলে আপনিও চমকে উঠবেন

বংশবিস্তারের একটা সু প্রাচীন ধারণা জড়িয়ে রয়েছে মেয়েদের দেহের স্তনের সঙ্গে। শুনতে অদ্ভুত লাগছে হয়তো, কিন্তু এই ধারণা থেকেই মনে করা হয় যে পুরুষ মানেই সে নারী-স্তনের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করবে।

Image Source : Instagram



গবেষকরা মনে করেন যে, নারী শরীরের এই স্তন পুরুষদের কাছে সবথেকে ‘রহস্যজনক’ একটি অঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বয়ঃসন্ধি কালেই প্রত্যেকের কাছে এই ভাবনার উৎপত্তি হয়। একটি ছেলে যখন তাঁর স্বাভাবিক জীবনে আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে, তখন সে দেখতে পায়, নারী শরীরে এমন একটি অঙ্গ আছে যা তাঁর শরীরে নেই,। তাঁর মাথায় এই ভাবনা উদয় থেকেই নারী শরীরের স্তন তার কাছে সবসময় একটি রহস্যজনক ও আকর্ষণীয় অঙ্গ হিসেবেই থেকেই যায়।
মানুষের শরীরে যৌন মিলনের ক্ষেত্রে মেয়েদের শরীরের এই স্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা নেয়। স্তনবৃন্ত থেকে যে হরমোন বেরোয় তাও আমাদের যৌনক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। সাধারণ ভাবেই এই অভ্যেস তাঁর পছন্দের উপরেও অনেকটা প্রভাব ফেলে।
স্তন দেখেই একমাত্র পুরুষের শরীরে যে যৌন উত্তেজনা থাকে তা অনুভব করা যায়। এই ঘটনাও নারী শরীরের স্তনের প্রতি পুরুষের আগ্রহের ক্ষেত্রে অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
মানুষই হল একমাত্র স্তন্যপায়ী প্রাণী যার শরীরের যৌন উত্তেজনার সাথে স্তনের একটা অদ্ভুত সম্পর্ক রয়েছে। অন্য কোনও প্রাণীর ক্ষেত্রে কিন্তু এমনটা কখনও দেখা যায় না।
সাধারণত যাদের স্তনের আকৃতি বড় তাদের প্রতিই পুরুষরা বেশি আকর্ষিত হয়। এর পাছনেও বংশবিস্তারের ধারণাই কিন্তু প্রভাব ফেলে।
Image Source : Instagram
নারী শরীরের একটি অন্যতম নরম অংশ হল এই স্তন। এই স্তনের কোমলতা পুরুষদের আকর্ষণ করে। ফলে স্তন স্পর্শ করতে ও চাপতে পুরুষ সবসময়ই আগ্রহ বোধ করে।
নারীদের শরীরের এই স্তন পুরুষদের কাছে অত্যন্ত আরামদায়ক একটি অঙ্গ। স্তনে মাথা রেখে বিশ্রাম করাটা পুরুষদের একটি সুপ্রাচীন অভ্যাস।
দীর্ঘদিনের এইসব অভ্যেস থাকার ফলেই মানুষের যে মানসিক গড়ন তৈরি হয়েছে, তা-ই নারী শরীরের এই স্তনের প্রতি পুরুষের আকর্ষণকে অবধারিত করে দিয়েছে। আজ যা প্রকৃতির একটি অন্যতম বিস্ময় হিসেবেই হয়তো বিবেচিত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*
*